ফসল তোলার সঠিক সময় ঠিক করতে কাজে লাগছে মোবাইলের পরামর্শ।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ভুক্তভোগীদের তালিকা তৈরি করে দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া পর্যন্ত নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
পরবর্তী পদক্ষেপ
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি জানিয়েছেন, বরাদ্দ পাওয়া গেলে বর্ষার আগেই মেরামতকাজ শেষ করা হবে। এতে কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষ উপকৃত হবেন।
কৃষকেরা জানান, এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হয়েছে। তবে ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে সরকারি ক্রয়কেন্দ্র চালুর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।




